জেন-জেড ও জেন-আলফা নিয়ে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি সারা বিশ্ব আজ বিস্মিত জেন-জেড ও জেন-আলফা প্রজন্মের বুদ্ধিমত্তা, সাহস, উদ্ভাবনী ক্ষমতা, দেশপ্রেম, মেধা ও তথ্যপ্রযুক্তির দক্ষতায়। এই প্রজন্মের জন্য বিশ্বব্যাপী কর্মক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান তৈরি করতে তথ্যপ্রযুক্তির জ্ঞান ও ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অত্যন্ত জরুরি। আনন্দ মাল্টিমিডিয়া স্কুল এন্ড কলেজ আমাদের সোনামণিদের (জেন-আলফা) বিশ্বদরবারে নিজেদের মেধা, দক্ষতা ও প্রজ্ঞা প্রমাণের জন্য প্রস্তুত করছে। মাতৃভাষাকে ভিত্তি ধরে ইংরেজি ভাষার উপর দক্ষতা ও কম্পিউটার শিক্ষায় আলোকিত হবে আমাদের আগামীর প্রজন্ম।
উন্নত দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ও বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষাবাস্তবতার সমন্বয়ে আমাদের পাঠদান পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে। আমরা নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার মান উন্নত করছি, যাতে শিক্ষার্থীরা সহজে জ্ঞান অর্জন করতে পারে। পাঠ্যসূচি তিন ধাপে বিভক্ত: প্রি-প্রাইমারি স্তর: ইংরেজি, ডিজিটাল কন্টেন্ট ও আন্তর্জাতিক কারিকুলামের সমন্বয়ে বিনোদনমূলক শিক্ষা। এতে রয়েছে ABC জ্ঞান, পরিবেশ সম্পর্কে ধারণা, ব্যক্তিগত ও সামাজিক বিকাশ, শারীরিক ও নৈতিক বিকাশ, সৃজনশীলতা ও ভাষার বিকাশ। প্রাথমিক স্তর: সক্রিয় ইংরেজি, ডিজিটাল কন্টেন্ট ও এনসিটিবির ইংলিশ ভার্সনের পাশাপাশি কাউন্টডাউন, স্ট্যান্ডার্ড ম্যাথ, মানসিক দক্ষতা, ভূগোল, কম্পিউটার স্ক্র্যাচ প্রোগ্রাম, সাধারণ জ্ঞান, আর্টস অ্যান্ড ক্রাফটস। মাধ্যমিক স্তর: এনসিটিবির ইংলিশ ভার্সনের পাশাপাশি স্ট্যান্ডার্ড ম্যাথ, মানসিক দক্ষতা, ভূগোল, সাধারণ জ্ঞান ও কম্পিউটার পাইথন প্রোগ্রামিং বাধ্যতামূলক।
১. অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলী দ্বারা পরিচালিত কম্পিউটার ভিত্তিক বাংলাদেশ ও ইংলিশ ভার্সন স্কুল। ২. ঢাকা ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা দক্ষ শিক্ষক দ্বারা নাচ, গান, আনন্দ ও বিদেশি পদ্ধতিতে পাঠদান। ৩. ডিজিটাল কন্টেন্ট ও ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে ছন্দময় পাঠদান। ৪. নিজস্ব সুপরিসর কম্পিউটার ল্যাবে শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষাদান। ৫. দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার লক্ষ্যে গ্লোবালাইজড এক্সট্রা টেক্সট বুক টিচিং। ৬. সায়েন্স ক্লাব, ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব, ম্যাথ ক্লাব ও ডিবেট ক্লাবের মাধ্যমে সুস্থ মেধা বিকাশ। ৭. মাসিক, টিউটোরিয়াল ও সেমিস্টার পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়মিত মূল্যায়ন। ৮. মাসিক অভিভাবক সমাবেশের মাধ্যমে অভিযোগ শোনা, পরামর্শ গ্রহণ ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে যৌথ ভূমিকা। ৯. লেসন প্ল্যানের মাধ্যমে ধাপে ধাপে শেখানো। ১০. প্রতিটি শ্রেণিকক্ষ সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে মনিটরিং। ১১. ডিজিটাল, মাল্টিমিডিয়া ও এইচডি শিক্ষাপদ্ধতি। ১২. দক্ষ পুষ্টিবিদ ও মনোযোগী পরিবেশে প্রেসক্রাইবড ডায়েট চার্টের মাধ্যমে পাঁচবেলা সুস্বাদু খাবারসহ আধুনিক আবাসিক ব্যবস্থা। ১৩. আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক দ্বারা সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত (বিদ্যালয় সময়) ও মাগরিবের পর থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত পাঠদানের ব্যবস্থা। ১৪. আবাসিকের জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, নিরিবিলি পরিবেশ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও মাতৃতুল্য তত্ত্বাবধান। ১৫. হাউসটিউটর ও ওয়ার্ডেনের তত্ত্বাবধানে শৃঙ্খলা চর্চা, খেলাধুলা ও বিনোদনের ব্যবস্থা। ১৬. ছাত্রীদের জন্য মহিলা শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে সম্পূর্ণ নিরাপদ আবাসিক ব্যবস্থা। ১৭. যেকোনো ধরনের মানসিক ও শারীরিক নিরাপত্তার নিশ্চয়তা।
আমাদের প্রতিষ্ঠান আধুনিক মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমে পাঠদান করে। অভিজ্ঞ শিক্ষকবৃন্দ শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত যত্ন নিয়ে পড়ান। পরীক্ষার প্রস্তুতি, ফলাফলের মান এবং শিক্ষার পরিবেশ সর্বদা উৎকৃষ্ট মান বজায় রাখে। আমাদের প্রতিষ্ঠান আধুনিক মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমে পাঠদান করে। অভিজ্ঞ শিক্ষকবৃন্দ শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত যত্ন নিয়ে পড়ান। পরীক্ষার প্রস্তুতি, ফলাফলের মান এবং শিক্ষার পরিবেশ সর্বদা উৎকৃষ্ট মান বজায় রাখে।
শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে অত্যাধুনিক কম্পিউটার ল্যাব, ইন্টারনেট সুবিধা এবং ডিজিটাল লার্নিং টুলস। স্মার্ট ক্লাসরুমে পড়াশোনা আরও আকর্ষণীয় ও সহজ হয়। প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হয়ে ওঠে।
আমরা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিই। সিসি ক্যামেরা (CC Camera) সার্বক্ষণিক ভিডিও নজরদারি ব্যবস্থা, গেটম্যান সার্ভিস (Gate Man) প্রশিক্ষিত গেটকিপার সদা প্রস্তুত,ভ্যান সার্ভিস (Van Service) নিরাপদ যাতায়াতের সুব্যবস্থা, শিক্ষার্থী পর্যবেক্ষণ অভিভাবকদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ, সার্বক্ষণিক সহায়তা শিক্ষার্থীদের চাহিদায় সাড়া দেওয়াপাশাপাশি রয়েছে সহশিক্ষা কার্যক্রম— ডিবেট, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এসব কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব, আত্মবিশ্বাস ও সামাজিক দক্ষতা গড়ে তোলে।
আমাদের সবুজ ও প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে ওঠা ক্যাম্পাসটি একবার সরাসরি দেখলেই বুঝতে পারবেন কেন আমরা আলাদা। পরিচ্ছন্ন শ্রেণিকক্ষ, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা এবং শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ আমাদের প্রতিষ্ঠানকে করেছে অনন্য। আপনার সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে আজই আমাদের ক্যাম্পাস পরিদর্শনে আসুন এবং নিজেই অনুভব করুন আনন্দ মাল্টিমিডিয়ার শিক্ষার পরিবেশ।
আমাদের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রতি বছর গর্বের সাথে তাদের শিক্ষাজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সম্পন্ন করে। গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠান আমাদের শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও সাফল্যের স্বীকৃতি দেওয়ার একটি বিশেষ মুহূর্ত। এই আনন্দময় দিনটি শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের জন্য একটি অবিস্মরণীয় স্মৃতি হয়ে থাকে। আমাদের গ্র্যাজুয়েটরা ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে — এটাই আমাদের প্রত্যাশা ও অঙ্গীকার।
আমাদের প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা আজ দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফলভাবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে। চিকিৎসা, প্রকৌশল, ব্যবসা, প্রযুক্তি ও সরকারি সেবাসহ নানা পেশায় আমাদের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। তাদের সাফল্যই আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা।